Pages

Powered by Blogger.
1ST SEMESTER SUGGESTION 2 ND YEAR SUGGESTION 2ND SEMESTER 3RD SEMESTER BENGALI NOTES CU suggestion. EDUCATION NOTES ENGLISH COMPULSORY GBU Suggestion. HISTORY EUROPE & WORLD HISTORY NOTES POL SC NOTES SOCIOLOGY NOTES WBCS 2020

NANDAN DUTTA

A new approach for exam notes .

What is a Resume ? What are the characteristics / features of a Resume ? 




What is a Resume ? 


Nowadays a resume is one of the most needed document to introduce ourselves . A resume is a summary of one’s identification, qualification and intended career path. It is a formal arrangement of one’s personal inventory. In other words, resume can be defined as a written statement that includes a person’s personal data, education and employment background, etc. It is also known as curriculum vitae , qualifications document  or qualification brief . It acts as an advertisement for a person’s qualifications and stimulates the potential employers to call the person to the interview.

'' A resume is a structured, written summary of a person’s educations, employment background and job qualification. ''  - Bovee

'' A resume is a persuasive summary of one’s qualifications for employment .''  - Kitty O. Locker

So it is very clear that resume is a factual statement that describes a person’s personal ,  educational and employment information. A job applicant prepares resume and submits it along with his application for a job. A customary resume usually includes name and address, education background, work experience, achievements and awards, personal data like nationality, gender, religion, age, hobby, etc. and reference. 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

Characteristics of a Resume :- 


An ideal resume should possess the following features or qualities:

1. Honesty: An effective resume should always include accurate information. It should be free from exaggeration and false information.

2. Cleanliness: Employer gets a primary impression about the job application form the appearance of the resume. It indicates the carefulness and eagerness of the application towards the job. Therefore, the resume should be neat, clean and attractive. Its attractiveness depends on clear typing or writing, layout of the writing, quality of papers, necessary margin etc.

3. Full disclosure: An accurate and effective resume gives detailed information about the applicant. The related information includes identifying information, career or job objective, educational background, work experience, references, etc. without full disclosure of these facts, an employer cannot evaluate a resume.

4. Brevity: Resume should be concise in nature. Inclusion of unnecessary information or repetition of information may irritate the employer.

5. Appropriate format: Resume can be drafted in three different formats such as chronological format, functional format, and combination of chronological and functional format. Selection of format depends on nature of information to be included in the resume; selection of an appropriate format for particular information will obviously enhance its acceptability and appeal.

6. Updated information: A good resume always conations updated information. Resume is the only information sheet that an employer has in determining whether to call the application in the interview. Therefore, the resume should be updated including new skills, experiences, and abilities.

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।
Share
Tweet
Pin
Share
No comments

Write a short note on the recommendations of Radhakrishnan Commission - 1948 for higher education . 

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে রাধাকৃষ্ণন কমিশনের সুপারিশগুলি আলোচনা কর। 




1948 খ্রিস্টাব্দের 5 ই নভেম্বর স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষা কমিশন হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়। এর সভাপতি ছিলেন সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন। এই কমিশনের মোট সদস্য ছিলেন 10 জন এবং এই 10 জনের মধ্যে 3 জন ছিলেন বিদেশি। কমিশের সদস্য সম্পাদক ছিলেন ডক্টর নির্মল কুমার সিদ্ধান্ত। কমিশনের সদস্যগণ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মহাবিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মপদ্ধতি পরিদর্শন এবং দেশের শিক্ষা সংক্রান্ত সমস্যাবলির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে 747 পৃষ্ঠার একটি দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে রাধাকৃষ্ণন কমিশনের সুপারিশ :- 

A. উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য :- 
১. বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সমাজের নানান ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানের উপযুক্ত ব্যক্তিদের গড়ে তোলার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। দেশকে অগ্রগতির পথে পরিচালিত করতে হলে প্রয়োজন উপযুক্ত বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়ের। 
২. বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষণপ্রাপ্ত প্রতিটি শিক্ষার্থী জাতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির যোগ্য ধারক ও বাহক করে তোলার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। 
৩. শিক্ষার্থীদের সামনে সমগ্র জগৎ এবং মানবজীবন সম্পর্কে একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার ব্যবস্থা করতে হবে। 
৪. গণতন্ত্রের মূল বক্তব্য ন্যায়বিচার , স্বাধীনতা , সাম্য এবং ভাতৃত্ব - অনুসারের প্রতিটি শিক্ষার্থী শিক্ষার সুযোগ লাভ করবে। 
৫. উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য হবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের মানবিক গুণাবলির বিকাশ সাধন করা। 
৬. উচ্চশিক্ষার অপর একটি লক্ষ্য হবে শিক্ষার্থীর মধ্যে মানবসভ্যতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা গড়ে তোলা। ৭. জাতীয় সংহতি ও আন্তর্জাতিকতা বোধের শিক্ষার বিকাশ। 
৮. বিজ্ঞান , কারিগরিবিদ্যা , কৃষিবিদ্যা ও চিকিৎসাবিদ্যার প্রসার ঘটানো। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

B. বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন :- 
১. বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্টারমিডিয়েট স্তরটির বিলোপ ঘটিয়ে , সেটিকে উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। 
২. প্রতিটি রাজ্যে অধিক সংখ্যক উন্নতমানের ইন্টারমিডিয়েট মহাবিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে। 
৩. সাধারণধর্মী শিক্ষার পাশাপাশি বহু সংখ্যক বৃত্তিশিক্ষার প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে হবে। 
৪. শিক্ষকদের যোগ্যতাকে সময়োপযোগী করে তোলার জন্য কমিশন  বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে রিফ্রেসার কোর্স প্রবর্তনের সুপারিশ করে। 
৫. মহাবিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ 1500 জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ 3000 জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। ৬. ৬. গ্রন্থাগার ও বীক্ষণাগারগুলির উন্নতি বিধান করতে হবে। 

C. শিক্ষক সম্পর্কিত সুপারিশ :- 
যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার উপযুক্ত মান , সাফল্য ইত্যাদি নির্ভর করে যোগ্য , প্রতিভাবান এবং উপযুক্ত শিক্ষক - শিক্ষিকার ওপর। তাঁর শিক্ষক সংক্রান্ত সুপারিশগুলি হল - 
১. মেধার ভিত্তিতে যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ। 
২. বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থাভাব দূরীকরণ। 
৩. মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক - শিক্ষিকাদের গুরুত্ব ও স্বীকৃতি প্রদান। 
৪. প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে কয়েকজন করে রিসার্চ ফেলো নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। 
৫. শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক - শিক্ষিকাদের পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

D. ব্যায়নির্বাহ সংক্রান্ত সুপারিশ :- 
বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন বলেছেন , বিশ্ববিদ্যালয় এবং মহাবিদ্যালয়ের আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকলে উচ্চশিক্ষার প্রসার বা মানোন্নয়ন - কোনোটিই সম্ভব নয়। 
১. মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গৃহনির্মাণের জন্য অর্থ অনুদান। 
২. শিক্ষা উপকরণ ও আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য আর্থিক সাহায্য প্রদান। 
৩. গ্রন্থাগারের উন্নয়ন ও বইপত্র কেনার জন্য আর্থিক অনুদান। 
৪. ছাত্রাবাস পরিচালনার জন্য আর্থিক অনুদান। 
৫. শিক্ষক - শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য বেতন , প্রভিডেন্ট ফান্ড ও পেনশন - প্রভৃতির জন্য উপযুক্ত সাহায্য দান। 
৬. গবেষণামূলক কাজ পরিচালনার জন্য অর্থসাহায্য। 

E. নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গঠন ও অন্যান্য সুপারিশ :- 
১. বেনারস ও আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রদায়িক সনদ বাতিল করতে হবে। 
২. কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে শিক্ষার্থীরা সর্বভারতীয় ভিত্তিতে পঠন পাঠনের সুযোগ পায় - তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 
৩. UGC - র অনুমোদনক্রমে দেশের বিভিন্ন অংশে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। 
৪. নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপযুক্ত ও উন্নতমানের গবেষণাগার স্থাপন করতে হবে। 
৫. বোলপুরের বিশ্বভারতী এবং দিল্লির জামিয়া - মিলিয়া - ইসলামিয়াকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আর্থিক অনুদান দিতে হবে। 
৬. নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার সময় আঞ্চলিক প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। 

F. ভাষা শিক্ষা সংক্রান্ত সুপারিশ :- 
উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে মোট তিনটি ভাষা চর্চা করতে হবে। এগুলি হল - ১. মাতৃভাষা বা আঞ্চলিক ভাষা  , ২. রাষ্ট্রভাষা এবং ৩ ইংরেজি ভাষা। মাধ্যমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে শিক্ষার্থীরা যাতে ইংরেজি চর্চা করার সুযোগ পায় , সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।    

 এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।   

Share
Tweet
Pin
Share
No comments

রবীন্দ্রনাথের বিজ্ঞান চেতনার ফল '' বিশ্বপরিচয় '' প্রবন্ধ। - আলোচনা করো।  




রবীন্দ্রনাথ শিক্ষার প্রয়োজন সম্পর্কে যখন বলেছেন তখনই সর্বজনীন শিক্ষা এবং সর্বাঙ্গীণ শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। কোনো একটি বা দুটি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠলেও সর্বাঙ্গীণ শিক্ষার অভাব যদি থেকে থাকে, তাহলে প্রকৃত শিক্ষার আলো মানুষের হৃদয়ে ও মনে প্রবেশ করতে পারে না। সেজন্যেই তিনি বলেছেন : ‘'বুদ্ধিকে মোহমুক্ত ও সতর্ক করবার জন্য প্রধান প্রয়োজন বিজ্ঞান-চর্চার।’' 
''বিশ্বপরিচয় '' প্রবন্ধটি রবীন্দ্রনাথ উৎসর্গ করেছিলেন বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে। এতে ভূমিকাস্বরূপ ‘শ্রীযুক্ত সত্যেন্দ্রনাথ বসু প্রীতিভাজনেষু’ শিরোনামের লেখাটি যুক্ত হয়েছে। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশাতেই আধুনিক বিজ্ঞানের যুগান্তকারী আবিষ্কার ও উদ্ভাবনসমূহ সেকালের সাধারণ মানুষের চিন্তার জগৎকেও অভূতপূর্ব বিস্ময়ে প্রবলভাবে নাড়া দিয়েছিল। পাশ্চাত্যের শিক্ষাজগতে ও চিন্তাজগতে সে-আলোড়নের ছায়াপাত ঘটেছিল অনেকটা স্বাভাবিক-ভাবেই। 

অবৈজ্ঞানিক মনকে বিজ্ঞানের যুক্তিনিষ্ঠতার পথে ধাবিত করানোর জন্যে প্রয়োজন শিক্ষা-কাঠামোর মধ্যে বিজ্ঞানশিক্ষার গুরুত্বকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া। তাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানশিক্ষার প্রতি আগ্রহ যেমন বাড়ে, তেমনি বিজ্ঞানশিক্ষার সুযোগও বেশি করে সৃষ্টি হয়। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা-কাঠামোর বাইরেও বিজ্ঞানশিক্ষার চর্চা চলতে পারে নানা উপায়ে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে বৈজ্ঞানিক বিষয় নিয়ে লেখা রচনাদি পড়া। 

তাঁর নিজের ভাষায় , '' আমি বিজ্ঞানের সাধক নই সে কথা বলা বাহুল্য। কিন্তু বালককাল থেকে বিজ্ঞানের রস-আস্বাদনে আমার লোভের অন্ত ছিল না। আমার বয়স বোধ করি তখন নয়-দশ বছর; মাঝে মাঝে রবিবারে হঠাৎ আসতেন সীতানাথ দত্ত মহাশয়। আজ জানি তাঁর পুঁজি বেশি ছিল না, কিন্তু বিজ্ঞানের অতি সাধারণ দুই-একটি তত্ত্ব যখন দৃষ্টান্ত দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিতেন আমার মন বিস্ফারিত হয়ে যেত। '' 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

রবীন্দ্রনাথ সেই তরুণ বয়সেই ‘সার্ রবার্ট বল্’, ‘নিউকোম্ব্স্’, ‘ফ্লামরিয়’ প্রভৃতি অনেক লেখকের জ্যোতির্বিজ্ঞান-বিষয়ক অনেক বই পড়ে ফেলেছিলেন। তারপর ‘সাহস করে’ পড়েছিলেন ‘প্রাণতত্ত্ব সম্বন্ধে হক্স্লির এক সেট প্রবন্ধমালা’। এই পড়াটার মাধ্যমে তিনি বিজ্ঞানের পন্ডিত হয়ে ওঠেননি, পান্ডিত্যের শক্ত গাঁথুনিও তাঁর মধ্যে ছিল না। ‘কিন্তু ক্রমাগত পড়তে পড়তে মনের মধ্যে বৈজ্ঞানিক একটা মেজাজ স্বাভাবিক হয়ে উঠেছিল। 

বিশ্বপরিচয় প্রবন্ধ থেকে রবীন্দ্রনাথের উপলব্ধি :- 


১. যে নক্ষত্র থেকে এই পৃথিবীর জন্ম, যার জ্যোতি এর প্রাণকে পালন করছে, সে হচ্ছে সূর্য। এই সূর্য আমাদের চারদিকে আলোর পর্দা টাঙিয়ে দিয়েছে। পৃথিবীকে ছাড়িয়ে জগতে আর যে কিছু আছে তা দেখতে দিচ্ছে না। কিন্তু দিন শেষ হয়, সূর্য অস্ত যায়, আলোর ঢাকা যায় সরে; তখন অন্ধকার ছেয়ে বেরিয়ে পড়ে অসংখ্য নক্ষত্র। বুঝতে পারি জগৎটার সীমানা পৃথিবী ছাড়িয়ে অনেক দূরে চলে গেছে। কিন্তু কতটা যে দূরে তা কেবল অনুভূতিতে ধরতে পারি  নে। সেই দূরত্বের সঙ্গে আমাদের একমাত্র যোগ চোখের দেখা নিয়ে। সেখান থেকে শব্দ আসে না, কেননা শব্দের বোধ হাওয়ার থেকে। 
(‘পরমাণুলোক’, বিশ্বপরিচয়)

২. পদার্থের মধ্যে অণুগুলি পরস্পর কাছাকাছি আছে একটা টানের শক্তিতে। তবু সোনার মতো নিরেট জিনিসের অণুরও মাঝে মাঝে ফাঁক আছে। সংখ্যা দিয়ে সেই অতি-সূক্ষ্ম ফাঁকের পরিমাণ জানতে চাইলে, তাতে মন পীড়িত হবে। প্রশ্ন ওঠে একটুও ফাঁক থাকে কেন, গ্যাস থাকে কেন, কেন থাকে তরল পদার্থ। এর একই জাতের প্রশ্ন হচ্ছে, পৃথিবী কেন সূর্যের গায়ে গিয়ে এঁটে যায় না, সমস্ত বিশ্বব্রহ্মান্ড একটা পিন্ডে তাল পাকিয়ে যায় না কেন। এর উত্তর, এই পৃথিবী সূর্যের টান মেনেও দৌড়ের বেগে তফাত থাকতে পারে। দৌড় যদি যথেষ্ট পরিমাণ বেশি হত তা হলে টানের বাঁধন ছিঁড়ে শূন্যে বেরিয়ে পড়ত, দৌড়ের বেগ যদি ক্লান্ত হত তা হলে সূর্য তাকে নিত আত্মসাৎ ক’রে। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

(‘পরমাণুলোক’, বিশ্বপরিচয়)

৩. এখন এই মত দাঁড়িয়েছে, ইলেক্ট্রনের ডিম্বাকার চলবার পথ একটি নয়, একাধিক। কেন্দ্র থেকে এই কক্ষগুলির দূরত্ব নির্দিষ্ট। কেন্দ্রের সবচেয়ে কাছের যে পথ, কোনো ইলেক্ট্রন তা পেরিয়ে যেতে পারে না। ইলেক্ট্রন বাইরের পথ থেকে ভিতরের পথে দর্শন দেয়। কেন দেয় এবং হঠাৎ কখন দেখা দেবে তার কোনো বাঁধা নিয়ম পাওয়া যায় না। 
(‘পরমাণুলোক’, বিশ্বপরিচয়)

৪. একদা মৌলিক পদার্থের খ্যাতি ছিল যে, তাদের গুণের নিত্যতা আছে। তাদের যতই ভাঙা যাক কিছুতেই তাদের স্বভাবের বদল হয় না।
(‘পরমাণুলোক’  বিশ্বপরিচয়)

৫. রাত্রের আকাশে মাঝে মাঝে নক্ষত্রপুঞ্জের সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায় লেপে-দেওয়া আলো। তাদের নাম দেওয়া হয়েছে নীহারিকা। এদের মধ্যে কতকগুলি সুদূরবিস্তৃত অতি হালকা গ্যাসের মেঘ, আবার কতকগুলি নক্ষত্রের সমাবেশ। দুরবীনে এবং ক্যামেরার যোগে জানা গেছে যে, যে ভিড় নিয়ে এই শেষোক্ত নীহারিকা তাতে যত নক্ষত্র জমা হয়েছে বহু কোটি তার সংখ্যা, অদ্ভুত দ্রুত তাদের গতি।
(‘নক্ষত্রলোক’, বিশ্বপরিচয়)

৬. চোখে দেখার যুগ থেকে এল দুরবীনের যুগ। দুরবীনের জোর বাড়তে বাড়তে বেড়ে চলল দ্যুলোকে আমাদের দৃষ্টির পরিধি। পূর্বে যেখানে ফাঁক দেখেছি সেখানে দেখা দিল নক্ষত্রের ঝাঁক। তবু বাকি রইল অনেক। বাকি থাকবারই কথা। আমাদের নক্ষত্র জগতের বাইরে এমন-সব জগৎ আছে যাদের আলো দুরবীন-দৃষ্টিরও অতীত। 

এই উদ্ধৃতিগুলি থেকে সহজেই বুঝতে পারা যায়, রবীন্দ্রনাথ কেবল যে ‘সহজ ভাষায় বিজ্ঞানের ব্যাখ্যার ছাঁচ গড়ে দেবার’ ইচ্ছায় সফল হতে পেরেছিলেন তা নয়, বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করার কাজেও কোনো শৈথিল্য দেখাননি। পরমাণুলোকের অভ্যন্তরের চিত্র কিংবা নক্ষত্রলোকের অপরিমেয় বিশালতার ব্যাপ্তি এতে সহজভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, কিন্তু বৈজ্ঞানিক তথ্য ও ব্যাখ্যার ঘাটতি তাকে মোটেও খর্ব করেনি। 

‘পরমাণুলোক’, ‘নক্ষত্রলোক’, ‘সৌরজগৎ’, ‘গ্রহলোক’ ও ‘ভূলোক’ – এই পাঁচটি অধ্যায় ছাড়াও বিশ্বপরিচয় বইটিতে আছে একটি সংক্ষিপ্ত উপসংহার। বিশ্বপরিচয়ের প্রথম সংস্করণে পঞ্চম অধ্যায়টির ছিল ‘পৃথিবী’; দ্বিতীয় সংস্করণে অধ্যায়টির নাম পরিবর্তন করে ‘ভূলোক’ নাম রাখলেন রবীন্দ্রনাথ। বিজ্ঞানের বই রবীন্দ্রনাথ নিয়মিত পড়তেন, এমনকি পত্রপত্রিকায় নতুন বইয়ের সমালোচনা পড়েও তিনি সেসব বই সংগ্রহ করে পড়ার জন্য উদ্গ্রীব থাকতেন। বিশ্বপরিচয় লেখার সময়ও রবীন্দ্রনাথ বইটিতে বিজ্ঞানের সর্বশেষ তথ্য দেবার আকাঙ্ক্ষায় নিয়মিত বই সংগ্রহ করেছেন, এমনকি বিলেত থেকেও বই আনিয়েছেন অথবা আনানোর জন্য তালিকা তৈরি করে দিয়েছেন। 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত ছোটোদের পত্রিকা বালকের সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তখন তাঁর বয়স মাত্র চবিবশ বছর। সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী রবীন্দ্রনাথের মেজবউঠাকুরানী জ্ঞানদানন্দিনী দেবী বালক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁর সহযোগী ছিলেন এবং কার্যত সম্পাদনা ও প্রকাশনার দায়িত্ব তিনিই পালন করে যেতেন। গল্প, উপন্যাস, কবিতা ছাড়াও বালকের পাতায় ‘বৈজ্ঞানিক সংবাদ’ও লিখতেন রবীন্দ্রনাথ। তাতে অনেক অজানা তথ্য এবং মজার কথা থাকত। অজ্ঞতার অন্ধকারে নিমজ্জিত মানুষকে মূঢ়তার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার ইচ্ছাই ছিল তাঁর বিজ্ঞানচর্চার মূল উদ্দেশ্য, কেননা আধুনিক সংস্কারমুক্ত জীবনবোধ তৈরি না হলে মনের অন্ধকার ও জীবনের অন্ধকার কখনো অপসৃত হয় না।

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।
Share
Tweet
Pin
Share
No comments

'' বাবরের প্রার্থনা '' কবিতায় কবি বর্তমানের এক বিপন্ন সময়ের আর্তি প্রকাশ করেছেন - কবিতাটি বিশ্লেষণ করে কবির এই মনোভাবের পরিচয় দাও। 

অথবা , 

এক বিপন্ন সময় ও সমাজের কবিতা শঙ্খ ঘোষের '' বাবরের প্রার্থনা। '' - আলোচনা করো। 




মননে - মেধায় ঋদ্ধ , অথচ আধুনিক যে কবির ভাষা জলের মত স্বচ্ছ ও সঙ্গীতের মূর্ছনায় পাঠকের হৃদয় ও মনকে একই সঙ্গে আন্দোলিত করে বশীভূত করে ফেলে তাঁর নাম শঙ্খ ঘোষ। সামাজিক দায়বদ্ধতাকে স্বীকার করেও স্বপ্নবিলাসী ও আদ্যন্ত নিসর্গ প্রেমিক এই মানুষটি ইতিহাসকে তাঁর কবিতায় তুলে এনেছেন বারবার। বস্তুতঃ তাঁর কবিতায় আমরা ইতিহাসকে দেখি বিপন্ন বর্তমানের আর্তির মাঝে। '' বাবরের প্রার্থনা '' কবিতাটি তাঁর এই জাতীয় কবিতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

এক শঙ্কাতুর পিতা তাঁর রোগাক্রান্ত সন্তানের আরোগ্য প্রার্থনায় ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনারত , যিনি প্রয়োজনে নিজ আয়ু প্রদান করেও সন্তানের সুস্থতা কামনা করেন। আলোচ্য কবিতায় কবি এমনই এক ইতিহাসের ধূসর ছবিকে বর্তমানের প্রেক্ষাপটে উজ্জ্বল রঙে 
এঁকেছেন।  কবিতাটিতে কবির কালচেতনা ও ইতিহাস চেতনা মূর্ত হয়ে উঠেছে। 

মুক্তির দশক হিসেবে চিহ্নিত সত্তরের দশকের তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতা , হত্যালীলা - দেশকে ও দেশের যুবকদের ঠেলে দিচ্ছিল মৃত্যুর দিকে। একই সঙ্গে বিশ্ব রাজনীতিতে দেখা দিয়েছিল চরম অস্থিরতার বাতাবরণ। বিবেকী কবি এই অস্থিরতার আবহে ব্যক্তিগত ভাবনাকে সমষ্টিগত রূপ প্রদান করে ইতিহাসের সেই শঙ্কাতুর পিতার মত ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা জানান তাঁর সন্ততিদের সুস্থ জীবন প্রদান করতে। 
'' ধ্বংস করে দাও আমাকে যদি চাও , 
আমার সন্ততি স্বপ্নে থাক। '' 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

কবির নিজের ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর জ্যেষ্ঠা কন্যা দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত। তার আরোগ্যলাভ ডাক্তারদের সাধ্যের বাইরে। এই পরিস্থিতে ইতিহাসের পদচারণায় তাঁর স্মৃতিপটে রোগশয্যায় শায়িত হুমায়ূনের ছবি ফুটে ওঠে এবং বাবরের মত তিনিও প্রার্থনা করেন তাঁর কবিতায়। তবে সেই প্রার্থনা কেবলমাত্র আত্মজার জন্য নয় , যুগের সমস্ত লাঞ্চিত , স্বপ্নছিন্ন সন্তানের জন্য। 

কবিতায় ব্যবহৃত 'বসন্ত' শব্দটি আনন্দ ও যৌবন - উভয় দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। পাশাপাশি কবি অস্তগামী সূর্যের আভাস , শুন্য বসন্ত - এই দুয়ের ইঙ্গিতে জানিয়েছেন - এই যুগ , এই কাল কিছু চায়। সন্ততির স্বপ্ন পূরণের প্রার্থনার মধ্যে তা তাঁর আত্ম প্রক্ষেপও বটে। সন্তানের মাধ্যমে চরিতার্থ হতে চায় মানুষ ; যে সাধ - বাসনা কবির একার নয় , সর্বজনের। সুদূর মধ্যযুগের অন্নদামঙ্গলের ঈশ্বরী পাটনীর '' আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে ''- র সার্থক রূপ যেন বাঙময় হয়ে ওঠে শঙ্খ ঘোষের অসামান্য মিথ কথনের ভঙ্গিতে। সত্তর দশকের রক্ত বারুদে মাখা দিনগুলিতে সন্ততির সুখে থাকার এক আন্তরিক প্রার্থনা ফুটে ওঠে তাঁর কণ্ঠ এবং কবিতায় এবং তিনবার ধ্রুবপদের মতো ব্যবহৃত হয় - '' আমার সন্ততি স্বপ্নে থাক '' - পংক্তিটি। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

দ্বিতীয় স্তবকে কবি যখন উচ্চারণ করেন - 
'' কোথায় গেল ওর স্বচ্ছ যৌবন 
কোথায় কুরে খায় গোপন ক্ষয় ! '' 
তখন পিতা বাবরের সঙ্গে কবির খেদ যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। পদাঘাতে ভাঙতে চায় পথের সকল বাধা। সেইসব যুবকদের সমূহ পরাভব কোনমতেই মানা যায়না। কবি শঙ্খ ঘোষ লক্ষ্য করেছেন আজকের যুবকদের ফুসফুস - ধমনী - শিরা বিষিয়ে গেছে। তাদের আরোগ্য দরকার। সেই কারণেই তার প্রার্থনা শহরে , প্রান্তরে , ধূসর শূন্যে 'আজান গান' ধ্বনিতে হোক। কবি শঙ্খ ঘোষ কিংবা সম্রাট বাবর তাদের জীবন , প্রাণচঞ্চলতা অনায়াসে দান করে দিতে চান যাতে সন্তান সুস্থ - সুন্দর ও স্বাভাবিক থাকে।  এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে জীবনানন্দ দাসের কথা , যিনি '' পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন '' নির্দেশ করেও '' ভালো মানব সমাজ '' গড়ার স্বপ্ন দেখেন। কবি শঙ্খ ঘোষও তাঁর '' বাবরের প্রার্থনা '' - কে করে তোলেন এই বিপন্ন সময় ও সমাজের তীব্র আকুতি।    

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

Share
Tweet
Pin
Share
No comments

What is ' Upanayana ' and ' Samavartan ' according to Bramhanic philosophy . 


বৈদিক - ব্রাহ্মণ্য শিক্ষাদর্শন অনুসারে ' উপনয়ন ' ও ' সমাবর্তন ' সম্পর্কে আলোচনা কর। 





উপনয়ন :- 

বৈদিক - ব্রাহ্মণ্য যুগে শিক্ষা শুরু হত উপনয়ন নামক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। মস্তক মুন্ডন ও চূড়াকর্মের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হত। ব্রাহ্মণ , ক্ষত্রিয় ও বৈশ্য শিশুরা যথাক্রমে 8 , 11 ও 12 বছর বয়স পর্যন্ত পিতৃগৃহে থাকার পর উপনয়নের মাধ্যমে নবীন ব্রহ্মচারী বা ' দ্বিজ ' হিসেবে গুরুকুলে পাঠ শুরু হত। এই উপনয়ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েই আর্য শিশু বিদ্যাগ্রহনের উপযুক্ত হত। নবজন্ম হত তার। এই কারণে উপনয়নের পর তাদের বলা হত ' দ্বিজ '। ' দ্বিজ ' হলে সে গুরুগৃহে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করত। তবে , অপরাধী ও শুদ্রদের উপনয়ন অনুষ্ঠান হত না। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

সমাবর্তন :- 

সমাবর্তন উৎসবের মধ্যে দিয়ে গুরুগৃহে বাসের সমাপ্তি পর্ব সুচিত হত। পাঠ শেষ করে শিক্ষার্থীগণ তাদের সাধ্যমতো গুরুদক্ষিণা দিয়ে , গুরুর সন্তুষ্টি বিধানের পর , গুরুর অনুমতি নিয়ে গৃহে ফিরে আসত।  স্নাতক ছিল তিন শ্রেণীর - 
(ক ) যিনি বেদ অধ্যয়ন করেছেন কিন্তু সমস্ত ব্রত পালন করেননি - তাকে বিদ্যা স্নাতক বলা হত। 
(খ )  যিনি সমস্ত ব্রত পালন করেছেন কিন্তু সমস্ত বেদ পাঠ করেন নি - তাকে বলা হত ব্রত স্নাতক। 
(গ )  যিনি সমস্ত বেদ পাঠ করেছেন এবং সমস্ত ব্রত পালন করেছেন তাকে বলা হত বিদ্যাব্রত স্নাতক। 

সমাবর্তন উৎসব যথেষ্ট জাঁকজমকপূর্ণ হত। স্নান করে , নতুন বস্ত্র পরিধান করে , গলায় মালা পড়ে , রথে বা হাতিতে চড়ে শিক্ষার্থী সমাবেশে উপস্থিত হত। পন্ডিতদের কাছ গুরু তাকে স্নাতক বলে পরিচয় করিয়ে দিতেন। শিক্ষা শেষে সমাবর্তন উৎসবে ভবিষ্যৎ জীবনে চলার পথে পাথেয় হিসেবে যে উপদেশ গুরু শিষ্যকে প্রদান করতেন - তা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আচরণীয় ধর্ম বলে বিবেচিত হত।  

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

Share
Tweet
Pin
Share
No comments

বিজন ভট্টাচার্যের নবান্ন নাটকে বর্ণিত দুর্ভিক্ষের চিত্র :- 




বিজন ভট্টাচার্যের '' নবান্ন '' নাটকের প্রথম প্রকাশ ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে '' অরণি '' পত্রিকায় ( গ্রন্থাকারে ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে ) ।  নবান্ন নাটকটি যে দেশকালের প্রেক্ষিতে রচিত হয়েছে সেটি একদিকে ছিল দুর্যোগ ও দুর্ভিক্ষের এবং অন্যদিকে ক্রান্তিকালের। নবান্ন নাটক আমাদের মনে স্মৃতির সমুদ্র মন্থন করে তুলে আনে নবান্ন উৎসবের ছবি।  বন্যা , মহাযুদ্ধ , মহামারী - ইত্যাদি আমিনপুরের গ্রাম্য জীবনের সুস্নিগ্ধ দিন যাপন পদ্ধতির বুকে আঘাত হেনে সবকিছু লন্ডভন্ড করে দিয়েছিল। মানুষ হয়ে উঠেছিল জন্তুপ্রায়। অন্নহীন , বস্ত্রহীন , মান-সম্ভ্রমহীন ভিখিরীতে রূপান্তরিত হয়ে মানুষ ভুলতে বসেছিল আপন অস্তিত্ব। সেই রকম এক ভয়ঙ্কর দুর্যোগপূর্ণ দিনের চিত্র ফুটে উঠেছে নবান্ন নাটকে যেখানে মানুষের অস্তিত্বই সংকটে সেখানে নবান্ন উৎসব পালনের কথা ভাবাই যায়না। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।


কিন্তু এত ঝড়-ঝাপটা ও দুর্ভিক্ষ সেই মানুষগুলোর মন থেকে মুছে ফেলতে পারেনি নবান্ন উৎসবের স্মৃতিকে। তাই যখন আবার ঘরছাড়া মানুষগুলো ফিরে এসেছে গ্রামে , নতুন ধান তুলেছে ঘরে , তখন নবান্ন উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছে তারা। বিগত দিনগুলোর বিভীষিকা মন থেকে মুছে ফেলে আয়োজন করেছে নবান্ন উৎসবের। 

নাটকের তৃতীয় দৃশ্যে প্রাকৃতিক সংকটের ঘনীভূত রূপ দেখা যায়। তৃতীয় দৃশ্যের শেষের দিকে আকস্মিকভাবে প্রচন্ড ঝড় ওঠে , সাইক্লোনে প্রধানের দোচালা বিনোদিনীর মাথার ওপর ভেঙে পড়ে।  বিনোদিনী সেই আঘাতে অচৈতন্য হয়ে পরে। আবার সেই ঝড়ের প্রকোপে তৈরি হওয়া বন্যা ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে। বন্যায় সবকিছু ভেসে যায়। 

চতুর্থ দৃশ্যে দুর্যোগ ও বন্যার পরিপ্রেক্ষিতে ভয়াবহ অভাব ও অর্থসংকট জন্ম নেয়। মানুষের খাদ্যের সংস্থান সংকুচিত হয়ে পড়ে। নাটক অনুসারে বলা যায় ,  '' নিত্যি ঐ এক ডুমুর - কলা সেদ্ধ আর কচুর নাতির ঝোল। '' 

পঞ্চম দৃশ্যে অনাহার , খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষের জন্য কিছু মানুষের অমানবিক স্বার্থপরতা কীভাবে দায়ী -  তা বর্ণনা করা হয়েছে। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে মজুতদারী ও কালোবাজারি যুদ্ধকালীন ব্যবস্থায় কীভাবে মানুষের অসহায় অবস্থার উপর চরম আঘাত হেনেছে - তার উল্লেখ পাওয়া যায় কালীধন ধাড়া ও হারু দত্ত নামক দুটি চরিত্রের মধ্যে দিয়ে। এরা বিবেকহীন , হৃদয়হীন ও অমানবিক বাণিজ্যকতার জাল সর্বত্র ছড়িয়ে রাখে - সে পরিচয় পাওয়া যায়। এদেরই চক্রান্তে ও রাষ্ট্রশক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় '' মনুষ্যসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ '' লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।


ষষ্ঠ দৃশ্য দেখা যায় সমাদ্দার পরিবার গ্রাম ছেড়ে শহরের পার্কে আশ্রয় নিয়েছে দুমুঠো খাবারের আশায়।  এরই মধ্যে বিচিত্র ধরনের সুযোগ সন্ধানীরা নানা রূপে ও বেশে জীর্ণশীর্ণ , বস্ত্রহীন - এই নিরন্ন কঙ্কালসার মানুষগুলোকে নিয়ে নির্লজ্জভাবে নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ চরিতার্থ করতে উদ্যোগী হয়। এদের কেউ ফটোগ্রাফার , কেউ বা টাউট। প্রথমোক্তরা প্রধানের ভাষায় '' কঙ্কালের ছবির ব্যবসাদার। '' 

তৃতীয় ও চতুর্থ দৃশ্যে প্রধান , কুঞ্জ , রাধিকা রাজপথে খাবারের সন্ধানে ঘুরে বেড়ায়। প্রধান বাড়ি বাড়ি ভিক্ষে করেও ক্ষুধার অন্ন জোগাড় করতে পারেনা। কুঞ্জ ডাস্টবিনের খাবার নিয়ে কুকুরে - মানুষে লড়াই করছে। এ দৃশ্য বড়ই মর্মান্তিক। ওদিকে বড়লোকের বাড়িতে পান ভোজনের সমারোহ ; কিন্তু সামান্য উচ্ছিষ্টটুকুও দুর্গত মানুষদের দান করতে এদের হাত সরেনা। চিকিৎসা কেন্দ্রগুলিতে দেখা যায় ক্ষুধার্ত মানুষের মৃত্যু মিছিল। 

অন্যদিকে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষদের অসহায়তার সুযোগ নিয়ে হারু একদিকে বিপন্ন মানুষের জমি-বাড়ি সস্তায় কিনে নেয় এবং অপরদিকে গ্রামের দুস্থ মা - বাপ কে ভুল বুঝিয়ে মেয়েদের শহরে চালান দেয়।  কালীধনের সেবাশ্রমে 'সেবা' -  নামের আড়ালে নারীদেহ নিয়ে দেহব্যবসা কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এমনকি পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করলেও তাদের যে ছাড়া পেতে অসুবিধে হবে না - এ ব্যাপারে তারা নিশ্চিত। 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মেদিনীপুর ও চব্বিশ পরগনার একাংশ সাইক্লোন , জলোচ্ছ্বাস ও বন্যায় বিপর্যস্ত হয়। খাদ্য সংকট দেশবাসীর জীবনে নিয়ে এসেছিল মন্বন্তর। বাংলায় প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ এ সময় অনাহারে মৃত্যু বরণ করে। জোতদার , মজুতদাররা এর সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে শোষণ করে। নবান্ন নাটকে সমাজের সেই দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

Share
Tweet
Pin
Share
No comments

শরৎ সাহিত্যে প্রেমের উপন্যাস '' পন্ডিতমশাই '' :- 





'পন্ডিতমশাই' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধায়ের লেখা উপন্যাস। উপন্যাসটির পটভূমি আর প্রকাশকালের মাঝে অবিচ্ছেদ্য এক ধরণের মিল আছে। মূলত ১৯১৪ সালের সময়টাতে, যখন বঙ্গদেশের সন্তানেরা মোটামুটি পড়ালেখা শিখে শহরমুখী হচ্ছে, সে সময়টার গ্রামাঞ্চলের পটভূমিতে লেখা একটি উপন্যাস 'পন্ডিতমশাই'।


এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।


'পন্ডিতমশাই' নামটি শুনে উপন্যাসটি সম্বন্ধে অযথা কিছু আন্দাজ করবার চেষ্টা করলে ভুল করা হবে । নামটি এসেছে মূলত উপন্যাসের একটি চরিত্র থেকে যার নাম বৃন্দাবন অধিকারী। বৈষ্ণ সম্প্রদায়ের বৃন্দাবন মূলত নীচু শ্রেণির মানুষের পড়ালেখার নিমিত্তে তার নিজের খরচে নিজ গৃহে একটি পাঠশালা খুলে বসেন , যেটির জন্যে বাচ্চাদের পড়ালেখার সরঞ্জামের টাকা অব্দি ধনী বৃন্দাবন দিত৷ দেশমাতৃকার  জন্যে গভীর দায়িত্ববোধসম্পন্ন এই স্ব-প্রণোদিত 'পন্ডিতমশাই' এর নামেই উপন্যাসটির নাম হলেও উপন্যাসের প্রধান চরিত্র পঞ্চদশী কিশোরী কুসুম৷

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যাদের অন্যান্য উপন্যাসের নারী চরিত্রের সাথে কুসুমের কিঞ্চিৎ মিল খুঁজে পাওয়া যায়৷ কুসুমের বাল্য ইতিহাস তার অজানা, সেই অজানা ইতিহাস সে সময়কার গ্রামসমাজ এমন নোংরামিতে ভরপুর রেখেছে যে উপন্যাসের শেষদিকে কুসুমের মাঝে তীব্র অস্তিত্ব-সংকট চোখে পড়ে৷ কুসুম মূলত দৃঢ়চেতা এবং নিজ খেয়ালকে গুরুত্ব দেওয়া এক কিশোরী। নিজেকে নিয়ে সে সদা পরিষ্কার থাকলেও তার আত্মাভিমান তাকে উপন্যাসের শুরুতেই মিলনাত্মক পরিণতিতে পৌছাতে দেয়নি৷ অবশ্য, এই তীব্র রূপের অধিকারী কিশোরীর এমন আত্মাভিমান জন্ম না নিলে খুব সম্ভবত এই উপন্যাসটি এতটা পাঠকপ্রিয়তা পেত না৷

কুসুমের ভাই কুঞ্জ। কুঞ্জের চরিত্রে উপন্যাসে তিন ধরণের পরিবর্তন চোখে পড়ে। প্রথমদিকে সে ছোটবোনের স্নেহানুগত হলেও মাঝামাঝি দিকে তার মাঝে চিরায়ত বাঙালিসমাজের একটা ছাপ আমরা দেখতে পাব৷ মানুষ অর্থযশ আর খ্যাতিতে বদলে যায়, কুঞ্জের ক্ষেত্রেও তার কোনরকম নড়চড় হয়নি৷ যদিও তার ছোটবোনের প্রতি তীব্র স্নেহ্ন তাকে শেষ দিকে উপস্থাপন করেছে অন্যভাবে৷ 

এই তিন প্রধান চরিত্র নিয়ে উপন্যাসটি গড়ে উঠলেও এতে আরো কিছু শক্তিশালী চরিত্রের আনাগোনা দেখা যায়৷ উপন্যাসটির আরো গভীরে গেলে আমরা দেখতে পাব পুরো কাহিনীতে কুঞ্জনাথ চরিত্রটি সর্বদা থেকে গেলেও মূল উপন্যাসটি গড়ে উঠেছে কুসুম ও বৃন্দাবনকে ঘিরেই। এটুকুতে যদি কেউ এটিকে রোমান্টিক উপন্যাস বলে মনে করেন, অবশ্যই ভুল করবেন। এটি মোটেও রোমান্টিক উপন্যাস নয়, আবার পুরোদস্তুর সামাজিক উপন্যাসও নয়। মূলত পুরো উপন্যাস জুড়েই বৃন্দাবন ও কুসুমের জটিল মনস্তত্ত্ব নিয়ে খেলা করা হয়েছে। উপন্যাসের প্রথমেই কুসুম ও বৃন্দাবনের মধ্যে যে সম্পর্ক উল্লেখ করা হয়েছে সেটিও পুরো উপন্যাসে অনিশ্চয়তার দোলাচলে পাক খেয়েছে। পাঁচ বছর বয়সে কুসুমের সাথে বৃন্দাবনের বিয়ে হবার পর যে তা অনাকাঙখিত এক কারণে মাত্র কিছুদিন পরই ভেঙে যায়। 

এ উপন্যাসে কুসুমের অপরিসীম মাতৃহৃদয়ের এক গল্প জানা যায় । কুসুমের আত্মাভিমান কিংবা পর্বতপ্রমাণ অভিমানের সাথে বৃন্দাবনের মোড় খাওয়া চরিত্রটি উপন্যাসের সাথে বেশ ভালভাবেই পরিণতির দিকে এগোতে থাকে । শেষ অব্দি উপন্যাসটিকে বিরহের ছকে ফেলে দিলেও মিলনাত্মক বলা যায় কিনা সে ব্যাপারে ঘোর সন্দেহ আছে। খুব সম্ভবত এর দায়ভার শরৎচন্দ্র পাঠকের উপরেই ছেড়ে দিয়েছেন। সুতরাং উপন্যাসটিকে পুরোপুরি প্রেমের উপন্যাস না বলে বৃন্দাবন ও কুসুমের মধ্যে ঘটে চলা জটিল প্রেমের জটিল সমীকরণ হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। 

এই ওয়েবসাইটের সমস্ত প্রশ্নোত্তরের তালিকা / সূচীপত্রের জন্য এখানে CLICK করো।

Share
Tweet
Pin
Share
No comments
Newer Posts
Older Posts

Followers

Pages

  • Home
  • Privacy Policy
  • Disclaimer
  • CONTACT ME
  • About Me

Contact Form

Name

Email *

Message *

About me

Hallow viewers , myself Nandan Dutta [Subhankar Dutta], reside at Maheshpur,Malda.
I made this website for the students of B.A. courses under Gour Banga University. Here you can get suggestions of different subjects like HISTORY , SOCIOLOGY , POLITICAL SCIENCE & EDUCATION.
In future I will add MCQ sections of those subjects.


Categories

  • 1ST SEMESTER SUGGESTION (1)
  • 2 ND YEAR SUGGESTION (1)
  • 2ND SEMESTER (1)
  • 3RD SEMESTER (8)
  • BENGALI NOTES (21)
  • CU suggestion. (1)
  • EDUCATION NOTES (141)
  • ENGLISH COMPULSORY (16)
  • GBU Suggestion. (7)
  • HISTORY EUROPE & WORLD (46)
  • HISTORY NOTES (68)
  • POL SC NOTES (69)
  • SOCIOLOGY NOTES (72)
  • WBCS 2020 (1)

recent posts

Blog Archive

  • November 2025 (1)
  • August 2025 (4)
  • May 2025 (3)
  • April 2025 (20)
  • March 2025 (12)
  • February 2025 (8)
  • November 2024 (5)
  • October 2024 (2)
  • September 2024 (2)
  • June 2024 (2)
  • March 2024 (6)
  • February 2024 (4)
  • October 2023 (5)
  • May 2023 (5)
  • April 2023 (1)
  • December 2022 (1)
  • November 2022 (13)
  • September 2022 (2)
  • August 2022 (7)
  • July 2022 (29)
  • June 2022 (10)
  • May 2022 (25)
  • April 2022 (24)
  • March 2022 (16)
  • February 2022 (19)
  • January 2022 (21)
  • December 2021 (46)
  • November 2021 (5)
  • October 2021 (6)
  • September 2021 (5)
  • August 2021 (41)
  • July 2021 (43)
  • June 2021 (31)
  • May 2021 (7)
  • April 2021 (1)
  • July 2020 (1)
  • June 2020 (3)
  • April 2020 (1)
  • November 2019 (1)
  • July 2019 (1)
  • June 2019 (1)
  • May 2019 (1)
  • April 2019 (2)
  • January 2019 (1)

Pages

  • Home
  • 2nd SEM ভাষাতত্ত্ব :
  • বাংলা উপভাষা
  • দ্বিতীয় পুলকেশীর কৃতিত্ব
  • ভারতীয় সংবিধানে বর্ণিত সাম্যের অধিকারগুলি আলোচনা করো।
  • হর্ষবর্ধনের কৃতিত্ব আলোচনা করো। তাকে কি উত্তর পথনাথ বলা যায় ?
  • ভারতীয় সংবিধানের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য :-
  • উদারনীতিবাদ : সংক্ষিপ্ত ধারণা :-
  • চোল শাসনব্যবস্থা :-
  • গুপ্তযুগ সুবর্ণযুগ সম্পর্কিত আলোচনা।
  • ৬. উদাহরণসহ মধ্যযুগের বাংলাভাষার কয়েকটি বৈশিষ্ট আল...
  • 1. Marxism
  • আধুনিক বাংলা ভাষা ও তার বৈশিষ্ট।
  • Discuss the career and achievements of Samudragupta .
  • ভাষাতত্ত্ব

Created with by ThemeXpose | Distributed by Blogger Templates